জুকারবার্গই থাকছেন ফেসবুকে সর্বেসর্বা

বোর্ড চেয়ারম্যানের পদ থেকে মার্ক জুকারবার্গকে সরানোর দাবিতে আনা ভোটের ফল ফেসবুক প্রধানেরই পক্ষে গেছে। বৃহস্পতিবার ফেসবুকের বার্ষিক সাধারণ সভায় জুকারবার্গের নেতৃত্ব নিয়ে ভোট দেয়ার সুযোগ আসে শেয়ারধারীদের।

বর্তমানে প্রধান নির্বাহীর পাশাপাশি ফেসবুক বোর্ড চেয়ারম্যানেরও দায়িত্বে রয়েছেন জুকারবার্গ। চেয়ারম্যান পদ ছাড়তে যারা আহ্বান জানিয়েছেন তাদের দাবি, এতে সিইও হিসেবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় আরও বেশি নজর দিতে পারবেন তিনি।

ভোট হলেও এতে জুকারবার্গের হারার সম্ভাবনা সামান্য বলে আগেই ধারণা করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানের ৬০ শতাংশ শেয়ারের মালিক তিনি নিজেই। ফলে ৬০ শতাংশ ভোটও রয়েছে তার হাতে।

ফেসবুকের প্রায় ৭০ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের শেয়ার রয়েছে ট্রিলিয়াম অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের। এছাড়াও ফেসবুকের লাখো কোটি ডলার মূল্যের শেয়ারের মালিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ব্যবসা করে ট্রিলিয়াম অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট।

জুকারবার্গের পদত্যাগের দাবি করেছে এ প্রতিষ্ঠান। ট্রিলিয়ামের জ্যেষ্ঠ ভাইস-প্রেসিডেন্ট জোনাস ক্রোন বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে উচ্চমানের একটি প্রতিষ্ঠানের দুইটি পূর্ণকালীন পদ ধরে রেখেছেন তিনি। যদি তিনি প্রধান নির্বাহী হওয়ার দিকে নজর দেন এবং অন্য কাউকে স্বাধীন বোর্ড চেয়ার হওয়ার দিকে নজর দিতে দেন, সেটা অনেক ভালো ফল দেবে।’

‘তার কাছে উদাহরণ আছে ল্যারি পেইজ ও অ্যালফাবেট, বিল গেটস ও মাইক্রোসফট, যেখানে একজন প্রতিষ্ঠাতাকে বোর্ড চেয়ারম্যান হিসেবে দেখা হয় না।’ ‘আমি জানি এ পদক্ষেপ নেয়া সহজ হবে না, কিন্তু এটা গুরুত্বপূর্ণ একটা পদক্ষেপ, যাতে তার এবং শেয়ারধারীদের লাভ হবে।’

এক বছর ধরে গোপনীয়তা ও ডেটা কেলেঙ্কারির মধ্যেও আয়ের প্রত্যাশা ছাড়িয়েছে ফেসবুক। বার্ষিক সভায় ফেসবুক প্রধানকে প্রশ্ন করা হয় কেন তিনি একজন স্বাধীন বোর্ড চেয়ারম্যান নিয়োগ দেবেন না। প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি জুকারবার্গ।

ফিরে আসছে উধাও হওয়া ফেসবুক গ্রুপ

হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়া দেশের বড় বড় ফেসবুক গ্রুপগুলো ফিরে আসতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই কয়েকটি গ্রুপ সক্রিয় হয়েছে বলে জানান গ্রুপগুলোর অ্যাডমিনরা।

একইসঙ্গে গ্রুপগুলোর অ্যাডমিনদের অ্যাকাউন্টও সচল হতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার তৃতীয়বারের মতো ফিরে এসেছে ফেসবুক গ্রুপ সার্চ ইংলিশ। গ্রুপটি যখন ফেসবুক থেকে উধাও হয়ে যায় তখন তার সদস্য ছিল অন্তত ১৯ লাখ ১৫ হাজার

গ্রুপটির প্রতিষ্ঠাতা ও সার্চ ইলিংশের প্রধান রাজীব আহমেদ জানান, ১৪ মে ভোরের কোনো একটা সময় গ্রুপটি হঠাৎ করে ফেসবুকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। কিছু পর তার অ্যাকাউন্টও নিষ্ক্রিয় হয়। এরপর ফেসবুকের কাছে ইমেইল করেন তিনি।

এই গ্রুপের মাধ্যমেই ফেসবুকের কমিউনিটি লিডার হয়েছেন রাজীব আহমেদ। একইভাবে বৃহস্পতিবার ফিরে আসে ফ্রিল্যান্সারদের জনপ্রিয় ফেসবুক গ্রুপ, আপওয়ার্ক বাংলাদেশ। একইসঙ্গে গ্রুপটির অ্যাডমিনদের সব অ্যাকাউন্টও সক্রিয় হয়েছে সেদিন। এভাবে একে একে ফিরে আসছে অন্যান্য গ্রুপও।

নতুন অ্যাপ এলো স্বাস্থ্যসেবায়…

নতুন অ্যাপ এলো স্বাস্থ্যসেবায়…

নতুন অ্যাপ এলো স্বাস্থ্যসেবায়…

চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি অ্যাপ থেকে ওষুধ ফরমাশের সুবিধাও থাকবে। এ ছাড়া এশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন হাসপাতালের হেলথ প্যাকেজের সুবিধাও থাকছে এতে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবাবিষয়ক বিভিন্ন কনটেন্ট পড়ার সুবিধাও অ্যাপে পাওয়া যাবে।

অ্যাপের উদ্যোক্তা ফোরকান হোসেন জানান, ডিজিটাল উপায়ে স্বাস্থ্যসেবা দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্লে স্টোরে এ লিংকে https://bit.ly/2X7NS1O অ্যাপটি পাওয়া যাবে।

নতুন অ্যাপ এলো স্বাস্থ্যসেবায়…

বিপিও সম্মেলন শেষ হলো

দেশে চতুর্থবারের মতো আয়োজিত হলো বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং—বিপিও সম্মেলন বাংলাদেশ ২০১৯। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিপিও খাতের অবস্থান তুলে ধরার জন্য দুই দিনের এই সম্মেলন শেষ হয়েছে গতকাল সোমবার। সম্মেলনটি যৌথভাবে আয়োজন করে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)।

এবারের বিপিও সম্মেলন থেকে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে বেশ কিছু চাকরি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। সে জন্য অংশগ্রহণকারী ৯টি প্রতিষ্ঠানের স্টলে তরুণ দর্শনার্থীরা সিভি জমা দিয়েছেন।
বাক্য-এর সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা যা আশা করেছি, এবারের সম্মেলনে তার চেয়েও বেশি সাড়া পেয়েছি। সেমিনারগুলোতেও দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। ২০ জন আন্তর্জাতিক বক্তা তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। এই সম্মেলন থেকেই আমরা দক্ষদের চাকরির ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।’

২১ এপ্রিল বিপিও সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ, আইসিটি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক এবং বাক্য-এর সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ। এবারের আয়োজনে ৬০ জন স্থানীয় ও ২০ জন আন্তর্জাতিক বক্তা তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠিত হয় ১২টি সেমিনার ও কর্মশালা।

বিপিও সম্মেলন আয়োজনে অংশীদার ছিল বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ), বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজি, আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) এবং বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ)।

মানব চোখ কত মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা, জানেন?

কোন ফোনের ক্যামেরা কত মেগাপিক্সেলের তা নিয়ে প্রযুক্তিপ্রিয় মানুষের আগ্রহ লক্ষ্য করার মত। বাজারে ৮ থেকে ৪১ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ফোন পাওয়া যায়। কিন্তু আমাদের খুব কাছেই রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিমান ক্যামেরা! সেটি হচ্ছে আমাদের দুই নয়ন।

আপনি জেনে অবাক হবেন মানব চোখে রয়েছে ৫৭৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। সেজন্যই আমরা প্রায় ১ কোটি রঙ আলাদাভাবে দেখতে পাই।
পিক্সেল হচ্ছে ছবির প্রাণ, ছবির ক্ষুদ্রতম অংশ যা খালি চোখে দেখা যায় না।

একটি ছবির দৈর্ঘ্যে ৩ হাজার পিক্সেল আর প্রস্থে ২ হাজার পিক্সেল হলে পুরো ছবির আয়তন দাঁড়ায় ৬০ লাখ পিক্সেল; এটি হবে ৬ মেগাপিক্সেলের ছবি। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী ১০ লাখ পিক্সেল সমান ১ মেগাপিক্সেল। এই মেগাপিক্সেলই হচ্ছে ক্যামেরার লেন্সে তোলা ছবির আয়তনের একক।

সাধারণত বলা হয়ে থাকে যে, স্থির দৃষ্টিতে একটি স্থিরচিত্র হিসেবে মানুষের চোখ ৫৭৬ মেগা পিক্সেলের ছবি গ্রহণ করতে পারে। তবে চলমান ছবি বা ভিডিও মানুষের চোখ ৭৭৭.৬গিগাপিক্সেল/সেকেন্ড পর্যন্ত চিত্রগ্রহণ করতে সক্ষম।